মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাংলাদেশের অতিরিক্ত ৪.১২ বিলিয়ন ডলারের আমদানি ব্যয়ের চাপ
প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২৬ | জালালপুর নিউজ ২৪ ডেস্ক
ঢাকা: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে জ্বালানি তেল, এলএনজি এবং সার আমদানিতে বাংলাদেশকে আগামী সাত মাসে অতিরিক্ত ৪.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ের চাপ মোকাবিলা করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চুল্লালংকার বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত 'An Asia for Everyone: Public Services, Social Protection and the Promise of Shared Prosperity' শীর্ষক এক সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ-এর বার্ষিক সভার প্রাক্কালে এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
জ্বালানি ও সার আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয়
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টার বক্তব্য এবং প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার কারণে প্রধানত জ্বালানি (ক্রুড অয়েল ও এলএনজি) এবং কৃষি উৎপাদন সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে এই অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে। বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক সংকট এবং ক্ষমতার বৈষম্যমূল নীতি বহাল থাকার কারণে বৈশ্বিক সম্প্রদায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এর আর্থিক মাসুল গুনতে হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তথ্য যাচাই ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ: মূল সংবাদ প্রতিবেদনে মোট অতিরিক্ত আমদানি ব্যয়ের চাপ ৪.১২ বিলিয়ন ডলার উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, জ্বালানি তেল, এলএনজি ও সার আমদানির বিভিন্ন খাতভিত্তিক হিসেবে উপাদানগুলোর মোট যোগফল দাঁড়ায় ৪.১০ বিলিয়ন ডলার। সার্বিক প্রতিবেদনে এই ০.০২ বিলিয়ন ডলারের একটি গাণিতিক অমিল পরিলক্ষিত হয়। কোনো অতিরিক্ত ব্যাখ্যা ছাড়া অমিলটি নিবন্ধে নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরা হলো।
বৈশ্বিক রাজনৈতিক সমীকরণ
সম্মেলনে বক্তব্যকালে অধ্যাপক তিতুমীর উল্লেখ করেন, ভূ-রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তার মাশুল দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিগুলোকে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বৈশ্বিক এই ধাক্কা সামলাতে হলে আন্তর্জাতিক স্তরে ক্ষমতার বৈষম্য ও রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে সমাধান করতে হবে।
মূল সংবাদসূত্র: The Business Standard (TBS News) এবং United News of Bangladesh (UNB)।
জালালপুর নিউজ ২৪
সত্যের পথে, মানুষের পাশে

0 মন্তব্যসমূহ